রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১২
পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক ও মেলাসহ বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পটুয়াখালীতে নববর্ষ-১৪১৯ বরন পালিত হয়েছে৷ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল ৭টায় স্থানীয় সার্কিট হাউস প্রাঙ্গন থেকে শহরে বের করা হয় বর্ণাড্য এক শোভাযাত্রা৷ শোভাযাত্র বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে স্থানীয় পিডিএসএ ময়দানে শেষ হয়৷ সেখানে জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ হাসিবুল আলম একদিনের বৈশাখী মেলা উদ্বোধন করেন৷ এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা খান মোশারফ হোসেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক এড. আফজাল হোসেন, পুলিশ সুপার মো. আজাদ মিয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অমল কৃষ্ণ মন্ডল, জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা কাজী আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড. সুলতান আহমেদ মৃধা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকির হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ ফোরকান সিকদার
সহ বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন, এনজিও কর্মকর্তা, প্রতিনিধিবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ৷এ ছাড়াও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪১৯ বরন অনুষ্ঠিত৷ ১বৈশাখ শনিবার ১৪১৯ বঙ্গাব্ধ বরন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, ঘুড়ি উত্সব, বৈশাখী মেলা ও দিনভর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান৷ সকাল ৬ টায় সৃজনী বিদ্যা নিকেতনের বিজয় মঞ্চে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা পরিবেশন করে প্রভাত সংগীত ও শুভ নববর্ষের গান৷ সকাল ৯ টায় বৈশাখকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন এর নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়৷ সকাল ১০ টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখি মেলা৷ সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সম্মুখ থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর এর নেতৃত্বে এক মঙ্গল শোভাযাত্রা বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও স্থানীয় দুমকি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে মেলা প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়৷ মঙ্গল শোভাযাত্রায় বাঙ্গালি সংস্কৃতির বিভিন্ন উপকরন ঢেকি, কুলা, তবলা, পালকি, মাছসহ বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন৷ মঙ্গল শোভাযাত্রা শেষে সকাল ১০টায় প্রফেসর স্বদেশ চন্দ্র সামন্তের উপস্থাপনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন৷ বর্ষবরন অনুষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন৷


