পটুয়াখালীতে বিরোধীয় জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে পৌরসভা। গতকাল রোববার সকাল ১০ টায় নতুন বাজার এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। ঘন্টাব্যাপী অভিযানে তিনটি বড় দোকান ঘর ভেঙ্গে মালামাল ট্রাক ভরে নিয়ে যায় পৌর কমর্ীরা। এ সময় ঘরের মালিকরা বন্দোবস্তের বৈধতা দাবী করে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করলে উত্তেজনার সৃস্টি হয়। উচ্ছেদকালে আহত হয় ফারুক নামে এক পৌর কর্মী। তবে এ জমির মালিকানা নিয়ে পৌরসভা ও জেলা প্রশাসনের ভূমি অফিসের পরস্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে।
পটুয়াখালী পৌর ভূমি অফিস সূত্রে জানাযায়, নতুন বাজার এলাকায় ১নং খাস খতিয়ান ভুক্ত ৫৫২২ দাগে
০দশমিক৮৭৫ (৯ শতাংশ) জমি হাট-বাজার শ্রেনীভুক্ত ছিল। গত ০৬/০২/০৭ইং এক মিস কেসের মাধ্যমে পেরিফারী থেকে চান্দিনা ভিটি ভুক্ত করা হয়। মিস কেস নং-৫/পটু/৬৭। পরে এ জমি বন্দোবস্তো দেয়া হয়।
এদিকে, পৌরসভা বাজারের জমি তাদের দাবী করে ২০০৯ সালে পটুয়াখালী সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি মামলা দায়ের করে। মামলা চলমান রয়েছে। পৌরসভার সার্ভেয়ার মোঃ ইউনুস মৃধা জানান, এটি পৌরসভার বাজারের জমি। জাল-জালিয়াতির কাগজ তৈরী করে পৌরসভার অনুমতি ছাড়া ঘর তোলা হয়েছিল তাই ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে। জমির মালিকানা নিয়ে দেওয়ানী মামলা চলছে। আদালত স্থিতি অবস্থার আদেশ দেন। তা অমান্য করে কে বা কারা ঘর উত্তেলন করেছিল।পেরিফারি সম্পর্কে তিনি বলেন ভূমি মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোন পেরিফারী জমি চান্দিনা করার এখতিয়ার কারো নেই।
পৌর ভূমি অফিসের সহকারী ভূমি উন্নয়ন কর্মকতর্া মোঃ শাহজাহান বলেন, এই জমিটা সরকারের ১নং খাস খতিয়ান ভুক্ত। এখানে পৌরসভার কোন সত্ব নেই। তারা আদালতে একটি মামলা করেছে তাদের দাবী করে। এ জমি বন্দোবস্তো দেয়া হয়েছে। বন্দোবস্তো প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন কামাল হোসেন, মোহাম্মদ আলী, সোবাহান মিয়া, শাহআলম, বাদল মিয়া, ছত্তার মিয়া সহ কয়েকজন। বন্দোবস্তো প্রাপ্তদের সূত্র জানায়, সরকারের কাছথেকে আমরা লীজ নিয়েছি, ডিসিআর কাটছি:আমাদের অপরাধ কোথায় ?
জমির মালিকানা নিয়ে পটুয়াখালী ভূমি অফিস বনাম পৌরসভার দ্বন্দ || অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১১


