রবিবার, ২২ এপ্রিল ২০১২
কলাপাড়া প্রতিনিধি: কলাপাড়ায় ছাত্রলীগের হামলায় ছাত্রদলের দু'ই সহধর কমর্ী গুরম্নতর জখম হয়েছে৷ আহত এক জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করলেও সন্ত্রাসীরা তাকে হাসপাতাল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে৷ ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার নবগঠিত বালিয়াতলী ইউনিয়নের লঞ্চঘাট এলাকায়৷প্রতৰ্যদশর্ী ও আহতদের সূত্রে জানা যায়, লালু্য়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের দু'ই সহধর কমর্ী মো. তমাল সাউগার (২৪) ও ইলিয়াস সাউগার কলাপাড়া পৌর শহরে ব্যক্তিগত কাজ শেষে বাড়ির উদ্দেশে রওয়ানা করেন৷ পথে ছোট বালিয়াতলী লঞ্চঘাট এলাকায় পেঁৗছালে বালিয়াতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইসমাইলের নেতৃত্বে ৭-৮জন সন্ত্রাসী তাদের উপর হামলা চালায়৷ সন্ত্রাসীদের এলোপাথারী হামলা থেকে রৰা পেতে দ'জনেই নদীতে ঝাপ দেন৷ সেখান থেকে ইলিয়াসকে উঠিয়ে তাদের হাতে থাকা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরম্নতর জখম করেন৷ রাতের অন্ধকারে সাঁতার কাটতে গিয়ে তমালকে স্্েরাতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়৷ অনেক খোঁজা- খুঁজির পর দুই কিলোমিটার দূরের একটি চর থেকে তাকে উদ্ধার করে তার পরিবার৷ অপর দিকে রাতেই ইলিয়াসকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপতালে ভর্তি করে৷ এ সংবাদ শুনে একই সন্ত্রাসীরা তাকে হাসপাতাল থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে এবং এ ঘটনায় মামলা দায়ের না করার জন্য হুমকি প্রদান করছে বলে অভিযোগ তার পরিবারের৷ এব্যাপারে বালিয়াতলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইসমাইল বলেন, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তা আমার জানা নেই৷ পারিবারিক বিরোধের কারনে তারা আমাকে দায়ী করছে আসলে আমি এ ঘটনার সাথে জড়িত নই৷ কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইসাহাক আলী বলেন, এব্যাপারে আমি কোন অভিযোগ পাইনি৷ অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে৷