শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১২
কলাপাড়া প্রতিনিধি: উপজেলার মত্স্য বন্দর মহিপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এক বছর ধরে ডাক্তার না থাকায় লৰাধিক মানুষ চিকিত্সা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে৷ প্রতিদিন হাজার হাজার জেলেসহ সাধারণ মানুষ চিকিত্সা সেবা নিতে এসে ডাক্তার না থাকায় চরম ভোগানত্মির শিকার হচ্ছে৷ এক জন উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার কর্মরত থাকলেও তিনি রোগীদের চিকিত্সা না দিয়ে ফার্মসিষ্ট দিয়ে চালান হাসপাতালের চিকিত্সা৷ তার অপচিকিত্সায় এক শিশুর মৃতু্য হয়েছে বলেও অভিযোগ এলাকাবাসীর৷ এছাড়া উপ-সহকারীর বিরম্নদ্ধে রয়েছে নানা ধরনের দুনর্ীতি ও অনিয়মের অভিযোগ৷ এলাকাবাসী তার বিরম্নদ্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর অভিযোগ দিয়েও তার ছেলে স্বাচিপ নেতা হওয়ায় কোন প্রতিকার পায়নি৷ উল্টো তিনি অভিযোগকারীদের দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করছেন৷ এলাকাবাসীর দাবি দ্রম্নত তার বিরদ্ধে শাসত্মিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে অনত্র বদলি করা হোক৷
এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মত্স্য বন্দর মহিপুর এলাকার লৰাধিক মানুুুুুুুুুুুুুুুুুুষ ও সাগর থেকে ফিরে আসা হাজার হাজার জেলেদের চিকিত্সার একমাত্র ভরসা মহিপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র৷ এখানে একজন ডাক্তার এক জন উপ-সহকারী, একজন ফার্মসিস্ট ও এক জন এমএলএসএস'র পদ রয়েছে৷ কিন্তু ডাক্তারের পদটি এক বছর ধরে শুণ্য থাকায় উপ-সহকারী হনুফা বেগম হয়ে উঠেন সর্বে সর্বা৷ এমএলএসএস'র পদটিও রয়েছে শূণ্য৷ হনুফা বেগম ছয় বছরের উপরে এখানে চাকরী করে নানা ধরনের দুনর্ীতি অনিয়ম চালাতে থাকেন৷ তার নানা অনিয়মের কারনে একবার বদলি করা হলেও হাইকোর্টে রিট করে বহাল তবিয়তে থাকেন৷ বর্তমানে তার ছেলে স্বাচিপের কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ায় আরো বেশী বেপরোয়া হয়ে উঠেন৷ বর্তমানে তিনি অধিকাংশ সময় কর্মস্থলে থাকেন অনুপস্থিত৷ এছাড়া হাসপাতালে চিকিত্সা নিতে আসা রোগীদের তিনি নিজে চিকিত্সা না দিয়ে ফার্মাসিষ্ট জামিল মোলস্নাকে চিকিত্সা দেন৷ জামিল মোলস্নার বিরম্নদ্ধেও রয়েছে অপচিকিত্সার নানা অভিযোগ৷ গত ২৯ মার্চ তার ভুল চিকিত্সার কারণে এক শিশু মারা গেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর৷ তিনি অফিসকালীন হাসপাতালের পুরাতন ভবনের একটি কৰে চেম্বার খুলে নিয়মিত রোগী দেখেন৷ সেখানে রোগীদের চিকিত্সা ফির একটি তালিকা টানানো রয়েছে৷ তাতে লেখা রয়েছে পরামর্শ ফি একশত টাকা, বাহিরে কল তিন শত টাকা, সাজারর্ী পাঁচ শত টাকা ডায়বেটিক্স পরীৰা ৭০টাকা৷ এমনকি সাগর থেকে বিভিন্ন সময় জেলেরা আহত হয়ে মহিপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিত্সা নিতে আসলে হনুফা বেগম হজব্রত পালন করায় পুরম্নষের সাথে তার দেখা করা ধমর্ীয় বিধান সম্মত নয় এ অজুহাতে তাদের চিকিত্সা সেবা প্রদান করেননা বলে অভিযোগ বহু জেলের৷ এব্যাপারে মহিপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী ডা. হনুফা বেগম আমার দেশকে বলেন, আমি সার্বৰনিক হাসপাতালে অবস্থান করে মানুষের সেবা প্রদান করে থাকি৷ তবে মেডিকেল অফিসার না থাকায় অনেক সময় চিকিত্সা সেবা ব্যহত হয়৷ এ ছাড়া এলাকার প্রভাবশালী এক ব্যক্তির ছেলে হাসপাতালে ডাক্তারি কাজ শেখতে চাইলে তাকে কিছু দিন কাজ শেখানোর পর এটা বিধিসম্মত না হওয়ায় বন্ধ করে দিলে সে এখন এ অভিযোগ গুলো দিচ্ছে৷