সোমবার, ২৬ মার্চ ২০১২

দুমকি প্রতিনিধি: দুমকিতে বহুল আলোচিত আংগারিয়ায় মসজিদের ইমামকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার প্রধান আসামী তার ভাতিজা আবুল বাশার (২৮) অবশেষে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে ৷ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদনত্মকারী অফিসার সিনিয়র এসআই মোঃ ইউনুস ও সঙ্গীয় পুলিশ দল আংগারিয়ার পাতাবুনিয়া লঞ্চঘাট থেকে গত রবিবার সকালে তাকে গ্রেফতার করে ৷ পরদিন সোমবার তাকে কোর্টে প্রেরন করা হয়৷ জঘন্য এ সন্ত্রাসী ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করার লক্ষে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তার ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে ৷ এলাকাবাসী জানান, রিমান্ডে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে এলাকায় সংগঠিত একাধিক সন্ত্রাসী ঘটনার তথ্যসহ সন্ত্রাস বাহিনী চিহ্নিত হতে পারে ৷ এলাকাবাসী ও পুলিশসুত্রে জানা যায়, উপজেলার পশ্চিম ঝাটরা হাওলাদার বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আংগারিযা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা রফিকুল ইসলাম গত ২০ জানুয়ারী রাত ১০টার দিকে ঘুমাতে
মসজিদে আসার পথে ওত্পেতে থাকা সংঘবদ্ধ দূবৃত্তরা তাকে বেদম মারধর ও কুপিয়ে জখম করে রাসত্মায় ফেলে রাখে ৷ রাতভর অজ্ঞান অবস্থায় পড়ে থাকলে সকালে মুসুল্লীরা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল হাসপাতালে ভর্তি করে ৷ ২৬ জানুয়ারী এ ঘটনায় অজ্ঞাত আসামী করে মসজিদ কমিটির সভাপতি সেকান্দার হাওলাদার বাদী হয়ে থানায় মামলা করে ৷ হাসপাতাল থেকে ফিরে ভিকটিম পুলিশের কাছে আসামীদের নাম প্রকাশ করে ৷ এ মামলার প্রধান আসামী তার ভাতিজা আবুল বাশার ঢাকা থেকে ঢাকা-পাতাবুনিয়া রুটের এমভি প্রিন্স সোহাগ লঞ্চযোগে শ্বশুর বাড়ি একই এলাকার মুনসি বাড়ি আসার পথে পুলিশ গত রবিবার তাকে লঞ্চঘাট থেকেই গ্রেফতার করে ৷ ভিকটিম মাওলানা রফিক জানায়, বাকেরগঞ্জের দুধল ইউনিয়নের চাটরা গ্রামে তাদের বাড়িতে জমিজমা নিয়ে আপন ভাতিজা বাশার ও তার পরিবারের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলছে ৷ ঘটনার দিন শ্বশুরালয় থাকিয়া এ এলাকার ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের সহযোগিতায় তাকে খুনের উদ্দ্যেশে তার ভাতিজা শিবির ক্যাডার বাশার কুপিয়ে জখম করে রাসত্মায় ফেলে রেখে চলে যায় ৷