Mon05202013

Last update07:58:44 AM GMT

Bangla Font XP | MAC | IComplex

দশমিনায় নারী শ্রমিকরা ভিক্ষা বৃত্তি থেকে বেড়িয়ে আসছে

মঙ্গলবার, ০১ মে ২০১২

আগের দিনে নারীদের ঘর সাজানো সামগ্রী মনে করলেও গরীব দুস্থ্য নারীরা বরাবরই বঞ্চনার শিকার হত৷ এসব নারীরা কেউ বিধবা, কেউ স্বামী পরিত্যাক্তা, কেউ যৌতুকের বলি, কারোবা ঘরে রোগাক্রানত্ম অচল স্বামী৷ স্বামী মরা, স্বামী পরিত্যাক্তা, যৌতুকের বলি, অচল স্বামী যে যেভাবেই সজ্ঞায়িত করম্নক এক দিকে সকলের খুব মিল এরা সবাই অভাবী৷ অভাব এদের নিত্যসঙ্গী৷ মরে গেলেও এদের অভাব ছাড়েনা৷ মরার পরেও অনেকের মার্কিন কাপড় কিংবা মাটি অভাবে পরিত্যাক্ত ভিটেতে সামাজিকতার দায় ঠেকায়৷ দশমিনার শতকরা প্রায় ৫৫জন অসহায় নারীর নেই নিজস্ব বসত ভিটা, জমিজমা৷ রাক্ষুসে তেতুঁলিয়া ও বুড়াগৌরাঙ্গ নদী, প্রকৃতির দুযের্াগ এদের কপার পুড়ে দিয়েছে৷ এসব বঞ্চনার শিকার নারী ঘর কন্যা সয়নি যাদে কপালে কাজের গন্ডি থেকে বেড়িয়ে হাতে হাতুড়ি, ব্যালচা মাথায় মাটির ঝুড়ি নিয়ে অভাব অনটন, ক্ষুধা আর দারিদ্র্যতা জয় করতে শ্রম বিকাচ্ছে৷ এরকমই নারী শ্রমিক, চান বিবি, পারম্নল, মাফিয়া, আলেয়া, আকলিমা, বিউটি ও ছালমাদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে৷ তারপরও এরা বেঁেচ থাকার সংগ্রামে সাহসী নিয়ত৷ বাঁচতে চায় যে কোন উপায়ে এরা বাঁচার জন্য খায়, খাবার জন্য বাঁচেনা! পৃথিবীর স্বল্প সময়ের পথে এসব নারী ভিড় বাড়ায়, সমস্যার সৃষ্টি করে৷ যখন বাঁচার অধিকারটুকু সহ্য হয়না সমাজের তবুও ওরা মরেনা৷ ঘাপটি মেরে সুযোগ খোজে, এ ধরনের নারীর সংখ্যা ১০/১২ হাজার ছাড়িয়ে যাবে বলে অনেকের ধারনা৷ উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের কথা হয় এরকম নারী শ্রমিকদের সাথে৷ বাশঁবাড়ীয়ার রেহেনা পারভিন (৩৮), আকলিমা বেগম(৩৪), চান বিবি (৪৮), রনগোপালদীর হালিমা বেগম(২৫), অজুফা বেগম (৩৩), আলীপুরার হেলেনা(৩৬), মমতাজ(২৬), বেতাগী সানকিপুরের, তপু রানী(৩৮), মঞ্জু রানী(৩৩), দশমিনার ফেরদাউস (৪০), মিনা রানী(২৮), বহরমপুরের কাজলী(৩৮), রিনা বেগম(২৯) সহ প্রায় ১শ নারী শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এসব তথ্য আর তাদের আধঁর ঘেরা জীবনের কথা৷ তবুও প্রতিনিয়ত আলোর পথে প্রানপনে চেষ্টা৷ চেষ্টা শুধু জীবন ও জীবিকার রূপদান করার৷ প্রতিদিন যুদ্ধ, হাড়ভাঙ্গা খাটুনি, বেঁচে থাকার প্রবল ইচ্ছাকে সার্থক করার চেষ্টা৷ বয়সের ভারে অনেকেই নু্যজ হলেও বোঝা টানছেন৷ সারাদিন হাড়ভাঙ্গা খাটুনির পর মেলে সামান্য মজুরি৷ তা দিয়ে জীবন চলে ওদের৷ ভালভাবে নয়! হাড়ের গিটে গিটে ব্যাথা নিয়ে, তারপরও তারা জীবনতো আছে? হাড় আর আর চামড়া থাকলে ব্যাথাতো থাকবেই৷ সন্তুষ্ট থাকে নিজের শ্রমে বেচেঁ থেকে গর্ব অনুভব করে৷ ভিক্ষাতো করেন না৷ এদের অনেকের ঘরেই বিয়ের উপযুক্ত মেয়ে কিংবা নিজেরই বিয়ের বয়স পেড়িয়ে যাচ্ছে৷ পাত্র পক্ষ যৌতুক দাবী করায় অর্থাভাবে বিয়ে দিতে পারছেনা৷ পয়সার অভাবে এদের অনেকেই শিশু সনত্মানদের স্কুলে পাঠানোর পরিবর্তে কাজে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছেন৷ দশমিনা উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ১ হাজার ১৭১জন নারী মাটিকাটার কাজ করছেন৷ সরেজমিনে অনেক নারী শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, আগের চেয়ে অনেকেই একটু স্বচ্ছল৷ তাই সরকারের এসব শ্রমজীবি নারীদের রক্ষার জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরম্নরী৷

ঢাকা অফিস: পটুয়াখালী ওয়েব, ৫/১/বি, মনেশ্বর রোড,জিগাতলা, ধানমণ্ডি, ঢাকা-১২০৯।

ফোন : +8801711127161,+8801711987191

পটুয়াখালী অফিস: পটুয়াখালী ওয়েব,নিউ টাউন সোনালী ব্যাংক রোড,পটুয়াখালীফোন :+8801713507191

E-Mail: info@patuakhaliweb.com সত্বাধিকারঃ 2010 Patuakhali Web. সর্বসত্ব সংরক্ষিত।

আমাদের Patuakhali Web -এ প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।