বৃহস্পতিবার, ০২ আগস্ট ২০১২
আল-আমিন,বরগুনাঃ ঈদকে সামনে রেখে প্রতারকরা জাল টাকা ছড়ানোর নেট ওয়ার্ক গড়ে তুলছে বরগুনা জেলার সর্বত্র। গত দু'দিনে গ্রেফতার হয়েছে দু'দম্পতি।এদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ হাজার জাল টাকা। বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার ছুড়িকাটা থেকে মঙ্গলবার এক দম্পতিকে ১০ হাজার জাল টাকাসহ গ্রেফতার করার পর বুধবার বরগুনা সদর উপজেলার চালিতাতলা থেকে আবার গ্রেফতার হয় এক দম্পতি। গত দু'দিনে জাল টাকাসহ ৪ জন গ্রেফতার হবার পর পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছে।প্রত্যক্ষ দর্শী বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার ছুড়িকাটা বাধঘাটের নাসির দোকানদার জানান, এক দম্পতি সুমন (৩০)ও তার স্ত্রী সুমী(২৫) তার দোকানে এসে হাজার টাকার একটি নোট বের করে চানাচুর কিনতে চায়। নোটটি তার সন্দেহ হলে তিনি আমতলী থানার পুলিশকে জানায়। পুলিশ এসে সুমীর ব্যাগ তল্ল্লাসী করে আরো ৯ হাজার টাকা জাল নোট উদ্ধার করে।গ্রেফতারকৃত সুমন জানায় তাদের বাড়ী বরগুনা সদর উপজেলার লাকুরতলা ধুপতী গ্রামে। সুমন জানায় জাল টাকা বিষয় তারা কিছু জানে না। তারা এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যাবে এ জন্য আসল টাকা বুঝে দোকানে চানাচুর কিনতে যায়। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবুল আকতার ঘটনার সত্যতা স্বীকার বলেন, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে জাল টাকা ছড়ানোর জন্য এরা মাঠে নেমেছে।এ ব্যাপারে আমতলী থানায় একটি মামলা হয়েছে। অপর দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনা সদর থানার পুলিশ বুধবার দুপুরে বরগুনা সদর উপজেলার চালিতাতলী গ্রামে আঃ বারেকের বাড়ী অভিযান চালিয়ে একটি ব্যাগের মধ্যে থেকে ৮ হাজার জাল টাকা সহ আঃ বারেক (৫০)ও তার স্ত্রী জায়েদা বেগম (৪৫)নামের আর এক দম্পতিকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আঃ বারেক জানায়, তাদের মেয়ে লিমা (২৫)ও জামাতা টিটু (৩৫) দু'দিন আগে ঢাকা থেকে তাদের বাড়ীতে বেড়াতে আসে। তাদের ব্যাগের মধ্যে কি ছিল তা তারা জানে না।পুলিম মেয়ে জামাতে খুজেঁ পায়নি। বরগুনা থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক বশির আহমেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আঃ বারেকের বাড়ীতে অভিযান চালিয়ে তাদের দখলে থাকা একটি ব্যাগের মধ্যে ৮ টি জাল এক হাজার টাকার নোট পাওয়া যায়। বরগুনা থানার অফিসার ইন চার্জ জাকির হোসেন ফকির জানান,আসামীরা একটি সংঘবদ্ধ দলের সদস্য।এ ব্যাপারে বরগুনা থানায় একটি মামলা হয়েছে।


