বৃহস্পতিবার, ০৫ এপ্রিল ২০১২
আল-আমিন,বরগুনাঃ চাচাত ভাইকে ফাসাতে গিয়ে পুলিশের কথিত শালা বাবুর কথামত মহসিন নামের এক যুবকের হাতকড়া লাগিয়ে অমানসিক ভাবে নিযর্াতন করেছে বরগুনা থানার দুই পুলিশ কর্মকতা ৷ পুলিশ কোন উপায়ানত্মত্ম না পেয়ে একটি চুরি মামলায় ওই যুবককে গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে প্রেরন করেছে৷এ ঘটনাটি ঘটেছে বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের দৰিন ইটবারিয়া গ্রামে ২ এপ্রিল গভীর রাতে গ্রেফতার কৃত মহসিনের বাবা দৰিন ইটবাড়িয়া গ্রামের আঃ খালেক মৃধা জানান,বরগুনা থানার সকল পুলিশ অফিসারদের কথিত শালা বাবু ও থানার চিহ্নিত দালাল দৰিন ইটবাড়িয়া গ্রামের মৃত জাহাঙ্গির মৃধার ছেলে আরিফুজ্জামান রেজা৷ রেজার বাবার সাথে তার জমা জমি নিয়ে বিরোধ দীর্ঘর্দিনের৷ বরগুনা থানার সাবেক সেকেন্ড অফিসার আলী আকব্বর আরিফুজ্জামান রেজার সমর্্পকের দুলাভাই৷ এস আই আলী আকব্বর অন্যত্র বদলি হয়ে গেলে বরগুনা থানার ওসি সহ সকল এস আই এখন ওই রেজার দুলা ভাই নামে পরিচিত৷ এই কথিত শালা বাবু বরগুনা থানার ওসির সহায়তায় বরগুনা থানার বিভিন্ন এস আইর মাধ্যমে গ্রামের নিরিহ লোককে গ্রেফতার করে উত্কোচ গ্রহন করে আসছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে৷ ওই সূত্র আরো জানায়, কেহ উত্কোচ দিতে ব্যর্থ হলে পুলিশ অফিসার সাহেবরা অমানসিক নিযর্াতন করে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করে৷মহসিনের বাবা এ প্রতিনিধিকে আরো জানান,তার ছেলে
মহসিন রেন্ট-এ কারের ব্যবসা করে৷ গত ২ এপ্রিল গভীর রাতে ওই রেজার সাথে বরগুনা থানার এস আই বশির আলম ও শফিকুল ইসলাম ইটবাড়িয়া গ্রামে যায় এবং মহসিন ও অসিম নামের দুইজনকে গ্রেফতার করে৷ পরে রেজার কথামত অসিমকে অর্থের বিনিময় পুলিশ ছেড়ে দেয়৷ পরে দুইজন এস আই মহসিনকে রাসত্মায় উপর ফেলে অমানসিক ভাবে পিটাতে থাকে ৷ মহসিনের বড় ভাই আলী আজিম ভাইকে রৰা করতে এলে ওই দুই এস আই তাকে ও পেটাতে থাকে ৷ একটু পর ওই পথ দিয়ে ইউপি সদস্য মহিবুলস্নাহ রিপন একটি ভারাটিয়া মটর সাইকেল নিয়ে বাড়ী যাওয়ার পথে তার ড্রাইভার আয়নালকে ও দুই পুলিশ অফিসার বেধড়ক পেটায়৷ এক ফাকে মহসিন পুলিশের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে পালিয়ে যায়৷ গভীর রাতে ওই দুই পুলিশ কর্মকর্তা মহসিনের বাড়ীতে গিয়ে ঘরে ঢুকে তছনছ ও ভাংচুর করে৷ মহসিনকে না পেয়ে তার বাবা ও ভাইদেরকে ক্রোস ফায়ার দেবার ভয় দেখিয়ে চলে আসে৷ পরের দিন ২ এপ্রিল স্থানীয় ইউপি সদস্য মনিরম্নজ্জামান সালাম মহসিনকে নিয়ে বরগুনার সহকারী পুলিশ সুপার এর সাথে দেখা করে বাবাকে ক্রোস ফায়ার থেকে রৰা করার জন্য বরগুনা থানায় হাজির হয়৷ মহসিন জানায় ওই রাতে আবার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ হেফাজতে মহসিনকে এস.আই বশির আলম নির্যাতন করে৷ একদিন পর ৩ এপ্রিল মহসিনের বিরম্নদ্ধে কোন মামলা না থাকায় বরগুনা সদর কোর্টের হেড কনেষ্টবল আবদুল গনির বাসা চুরি মামলায় মহসিনকে গ্রেফতার দেখিয়ে এস.আই বশির আলম তাকে কোর্টে প্রেরন করে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান৷ এ ব্যাপারে বরগুনা থানার অফিসার ইন চার্জ মোঃ জাকির হোসেন ফকির ২ এপ্রিল এ প্রতিনিধিকে বলেন, গ্রেফতার কৃত মহসিনের বিরম্নদ্ধে কোন মামলা নেই, তবে পুলিশের হাত থেকে পালিয়ে গেছে এ অপরাধে মহসিনকে ফৌঃ কাঃ আইনের ১৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে কোর্টে প্রেরন করা হবে ৷ বরগুনা থানার উপ পরিদর্শক মোঃ বশির আলম বলেন, মহসিনের বিরম্ন্েদ্ধ অভিযোগ পাওয়া গেছে৷ তাকে মুক্তি দেয়া যাবে না৷ মহসিনের বাবা আঃ খালেক মৃধা আরো বলেন, তার ছেলে সম্পূর্ন নিদের্াষ৷ তার পরও ছেলেকে থানার দালাল রেজার কথা মতো একটি চুরি মামলায় গ্রেফতার দেখায়৷ তিনি আৰেপ করে বলেন, আমরা পুলিশের সাথে ৰমতায় পারবো না৷ তবে দোয়া করি আলস্নাহ যেন তাদের বিচার করেন৷


