মঙ্গলবার, ০১ মে ২০১২
এনসানী আল মামুন: বরগুনার আমতলী গাজীপুর বন্দরে চাঁদার দাবীতে সন্ত্রাসী কতর্ৃক তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে বলে অভিযোগ করেছে ক্ষতিগ্রস্থ দোকান মালিকরা৷ এ ঘটনা প্রতিবাদ করায় সন্ত্রাসীদের হামলায় ৬ জন গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানাগেছে৷ স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে জসিম দুয়ারী, নান্নু খা, সোহাগ মোল্ল্লা, হামজা মোল্লা, নাসির উদ্দিন, খবির ও জসিম তালুকদার গাজীপুর বন্দরের চরপাড়ার সানু ডাক্তার, ইব্রাহিমের চায়ের দোকান ও রহিমের হোটেলে ১০ হাজার টাকা চাঁদার দাবী করে৷ দোকান মালিকরা চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে অতর্কিত হামলা চালিয়ে দোকানগুলো ভাংচুর করে৷ চাঁদা না পেয়ে হোটেল মালিক রহিমের মোটর সাইকেল নিয়ে যায় বলে রহিম জানান৷ এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় নিজাম উদ্দিন (২৮), তাওহীদ (১৭), হাবিব (৩০), বাতেন (২৭), শাহ্নেওয়াজ (২৫) ও রহিম খান (৩০) গুরুতর আহত হয়েছে৷ আহতদের
পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷আহত হোটেল মালিক রহিম খান জানান রাত ৯ টার দিকে জসিম দুয়ারীর নেতৃত্বে ৭/৮ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী আমার কাছে ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে৷ আমি চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে৷ এ সময় আমার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি নিয়ে যায় এবং ১০ হাজার টাকা দিয়ে মোটর সাইকেলটি ফেরত্ আনতে বলে চলে যায়৷ আহত হাবিব জানান জসিম দুয়ারী, নান্নু খা, সোহাগ মোল্লা, হামজা মোল্লা, নাসির উদ্দিন, খবির ও জসিম তালুকদারের বিরুদ্ধে আমতলী ও গলাচিপা থানা ও কোর্টে একাধিক সন্ত্রাসী, চাদাঁবাজি, চুরি ও অস্ত্রের মামলা রয়েছে৷ এলাকায় তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসী৷এ ব্যাপারে জসিম দুয়ারীর মুঠোফোনে (০১৭১৩৯৬৪৯৮১) জানান আমিসহ আমাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যা৷ চাঁদাবাজী ও দোকান ভাংচুরের কোন ঘটনা ঘটেনি৷গাজীপুর পুলিশ ফারির ইনচার্জ এএসআই অরুন কুমার সাহা মুঠোফোনে জানান সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে৷ তবে চাঁদাবাজী ও কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুরের কোন ঘটনা ঘটেনি৷আমতলী থানা ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতার সাংবাদিকদের জানান এখনো কোন মামলা হয়নি (বিকেল ৩টা)৷ তিনি আরো বলেন শুনেছি সামান্য হাতাহাতি হয়েছে৷