সোমবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১২
উত্তম কুমার,বাউফল প্রতিনিধি: বাউফলে প্রাইভেট বানিজ্য, কোচিং ও ফলাফলের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পরীক্ষা আরম্ভের দশ মিনিট পরে খাতা সরবরাহ ও পাঁচ মিনিট থাকতেই টেনে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার এসএসসি পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষায় কালাইয়া কেন্দ্রে ৫নং কক্ষে এ ঘটনায় পরীক্ষার্থী ও অবিভাবকদের মধ্যে খোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, প্রাইভেট বানিজ্য, কোচিং ও ফলাফলের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও পাশের গার্লস স্কুলের শিক্ষদের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে রেশারেশি চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন গার্লস স্কুলের পরীক্ষার্থীদের কক্ষে পরীক্ষা শুরুর দশ মিনিট পরে খাতা দিয়ে শেষ ঘন্টা বাজার পাঁচ মিনিট আগে উত্তরপত্র টেনে নেয় কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক। অভিযোগ করা হয়েছে ওই শিক্ষক উত্তরপত্রে পরীক্ষার্থীদের স্বাভাবিক লেখায় বিঘœ সৃষ্টি করার। অভিভাবক সূত্রে জানাসেছে, শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে এসএসসি পরীক্ষাকে হাতিয়ার হিসেবে ওই শিক্ষকরা ব্যবহার করছেন। এনিয়ে পরীক্ষা শেষে গার্লস স্কুলের একাধিক শিক্ষার্থীরা কান্নায় ভেঙে পড়ে। এতে অবিভাবকদের মধ্যেও
খোভের সৃষ্টি হয়। কয়েকজন অবিভাবক এ ঘটনার কেন্দ্র সচিব আঃ রব মোল্লার কাছে বিচার দাবি করেন।তন্নী, ফারজানা, সংগীতা, রাত্রী বর্ণিক, শাওলিন, উষা, উর্মি, সম্পা, আদনিন, মিমি, তমা, তাকিয়াসহ কয়েক পরীক্ষার্থী জানায়, তাদেরকে দশ মিনিট পরে খাতা দিয়ে পাঁচ মিনিট আগে খাতা টেনে নিয়ে যায় কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক মোঃ জহিরুল হক। তাছাড়া হলের মধ্যে অহেতুক ভাবে খাতা টেনে ও দাঁড় করিয়ে রাখে অনেককে। এতে তারা পরীক্ষায় স্বাভাবিক ভাবে লেখাসহ নৈর্ব্যক্তিকে অনেক প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেনি। এনিয়ে আরো কয়েক বিষয়ের পরীক্ষায় ওই শিক্ষক একই ভাবে তাদের পরীক্ষায় বিঘœ সৃষ্টি করে যাচ্ছেন। এবিষয়ে আবদুর রব মোল্লা জানান, পরীক্ষা সঠিকভাবেই নেয়া হয়েছে। অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ সত্য নয়।
এ ব্যাপারে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।