বৃহস্পতিবার, ০৩ মে ২০১২
বাউফল প্রতিনিধি: বাউফলে ৫ম শ্রেণীর স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে শস্নীলতা হানির মামলা নিয়েছে পুলিশ৷ বাউফল থানার পুলিশ সোমবার রাতে নাজিরপুর ইউপির বড়ডালিমা গ্রামে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষিতা সোনিয়া ও তার মায়ের বক্তব্য রেকর্ড করেন৷ এরপর সোনিয়ার বাবাকে থানায় ডেকে নিয়ে শস্নীলনতা হানির অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়৷স্থানীয়রা জানায়, সাংবাদিক মহলে জানাজানি ও পত্র পত্রিকায় খবর প্রকাশ হওয়ায় ধর্ষণের ঘটনাকে পাশকাটিয়ে কেবল শস্নীলতা হানির মামলা নেওয়া হয়েছে৷ ধর্ষকের পৰের প্রভাবশালীদের চাপে আসল ঘটনাকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানিয়েছেন৷ উলেস্নখ্য, বড় ডালিমা আজাদ সরকারী প্রাইমারী স্কুলের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী সোনিয়াকে (১০)
একই এলাকার আফজাল বয়াতির ছেলে ও নাজিরপুর হাই স্কুলের ১০ম শ্রেণীর ছাত্র রবিউল (১৫) মিষ্টি আলু খাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষন করে৷ বিষয়টি প্রকাশ হয়ে গেলে ওই ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রভাবশালী লতিফ মোলস্না সোমবার বিকাল ৩ টায় ধর্ষকের বাড়িতে আদালত বসিয়ে ধর্ষক রবিউলকে ১০ হাজার টাকা জড়িমানা ও ৫০ ঘা বেত্রাঘাত করার আদেশ প্রদান করেন৷ ধর্ষকের বাবা আফজাল বয়াতি এ নির্দেশ মোতাবেক ১০ হাজার টাকা ধর্ষিতার বাবার হাতে নগদ প্রাদান করেন এবং চৌকিদার আনছার উদ্দিন ধর্ষক রবিউলকে তখন ১০-১২টি বেত্রাঘাত করেন৷এ ব্যাপারে বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) নরেশ চন্দ্র কর্মকার জানান, ছেলে মেয়ে উভয়ই কমবয়সী৷ ধর্ষনের ঘটনা ঘটেনি৷ শস্নীলতা হানির অভিযোগে মামলা নেওয়া হয়েছে৷ ###