রবিবার, ০৬ মে ২০১২
উত্তম গোলদার,মির্জাগঞ্জ: মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুলতানাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনে প্রতিপক্ষ সম্ভাব্য সভাপতির লোকজন হামলা চালিয়ে আহত করেছে তিন শিক্ষককে৷ প্রতিপক্ষ এলাকার প্রভাবশালী হওয়ার কারনে আহতরা হাসপাতালে যেতে পারেনি৷ আহতরা সংখ্যলঘু হওয়ার কারনে পল্লী চিকিত্সকের কাছে চিকিত্সা নিতে হয়েছে তাদের৷ আহতরা হচ্ছে-সিনিয়র শিক্ষক শ্রী মাখম চন্দ্র হাওলাদার,শ্রী অসিম চন্দ্র হাওলাদার ও শ্রী ক্ষিতিস চন্দ্র হাওলাদার৷ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ১৮৯ জন এবং প্রাথর্ী ৬ জন৷এ ঘটনায় বর্তমান সভাপতি মোঃ ফিরোজ আলম নির্বাচন প্রিজাইডিং অফিসার ও মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন৷ তবে তিনি বলেছেন অভিযোগপত্র পাইনি৷ অভিযোগের বিবারনে জানা যায়, গত শনিবার উপজেলার সুলতানাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির ভোট চলাকালীন সময়ে শিক্ষক প্রতিনিধি ভোটার শ্রী মাখম চন্দ্র হাওলাদার,মোঃ জহিরুল হক চুন্নু,শ্রী ক্ষিতিষ চন্দ্র বিশ্বাস,অসিম চন্দ্র হাওলাদার ও মোঃ শাহজাহান মিয়াকে স্থানীয় জনতার মধ্যে থেকে সম্ভাব্য সভাপতি প্রাথর্ী মোঃ মাইনুল ইসলাম মজলু মিয়ার নেতৃত্বে ওই এলাকার ত্রাস মোঃ জামাল মেম্বার এবং শহিদ হাওলাদারসহ তাদের সাংঙ্গপাংঙ্গরা তাদেরকে ধরে নিয়ে মারধর করে পাশর্্ববতর্ী একটি ঘরে আটক করে রাখে৷ এর মধ্যে থেকে জহিরুল ইসলাম চুন্নু এবং মাখম চন্দ্র হাওলাদার কোন রকম পালিয়ে এসে ভোট প্রদান করেন৷ বাকি তিনজনকে নিবার্চন শেষ হওয়ার একঘন্টা পর তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়৷ ফলে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হন তারা৷ এ ছাড়াও ভোটার মোঃ আলমকে ধাওয়া করে এবং তাকে টেনে-হিচঁরে জামা-কাপড় ছিড়ে ফেলে৷ পরে তাকে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে৷ এ ব্যাপারে নির্বাচন প্রিজাইডিং অফিসার ও মাধ্যমিক একাডেমি সুপারভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিবার্চন সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়েছে৷ নিবার্চনের ফলাফল দেওয়া হয়েছে৷ তবে অভিযোগ পেলে পেয়েছি বিধি মোতাবেক ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে৷ সুলতানাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজিবুর রহমান বলেন, নিবার্চনে ব্যাপক কারচুপি হয়েছে৷ আমার স্কুলের ৫জন শিক্ষককে আটক করে তাদেরকে মার ধর করে৷ তার মধ্যে ৩জন ভোট দিতে পারেনি৷ প্রিজাইডিং অফিসারকে বারবার বলা সত্বেও সে নির্বাচন স্থগিত করেনি৷