
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ঝাটিবুনিয়া ম.ই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ সাইদুর ইসলাম জাফরের লালশার স্বীকার হয়েছে এক স্কুল ছাত্রী। কোচিং ব্যবসার আড়ালে অবৈধ মেলামেশা করায় ছাত্রীটি অন্তসত্তা হয়ে পড়েছ বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা এলাকায় টক অব দা ঝাটিবুনিয়া পরিনত হয়েছে। ঘটনা জানাজানির পর গত বৃহস্পতিবার থেকে শিক্ষক স্কুলে আসছেন না এবং এলাকায় নেই বলে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন। তবে কোথায় আছেন এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন কোথায় আছে এ ব্যপারে আমি কিছু জানি না। তিনি স্কুল থেকে কোন মৌখিক অনুমতি ও ছুটির আবেদন করেননি। এ ঘটনার পর তিনি গাঁ ঢাকা দিয়েছে। জাফর যদি অপরাধ না করে থাকে তবে কেন সে লুকিয়ে থাকবেন। তার মোবাইল ফোনে যোগযোগ করলে ফোনটি বন্ধ রয়েছে। জানা গেছে,উপজেলার উত্তর ছৈলাবুনিয়া গ্রামের আলীম খানের মেয়ে ঝাটিবুনিয়া স্কুলে এবারে বানিজ্য বিভাগ থেকে এসএসসি পাশ করেছে। জাফর বানিজ্য বিভাগের শিক্ষক হওয়ার সুবাদে ওই স্কুলের এ বিভাগের ছাত্রীরা মহিষকাটা বাজারের নিজ বাসায় ইস্কিল কোচিং সেন্টারে পড়াশুনা করতো। এ ফাঁকে ছাত্রীর সাথে অবৈধ মেলামেশার কারনে এক পর্যায়ে অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। এ নিয়ে চলছে এলাকায় আলোচনা-সমলোচনা। প্রধান শিক্ষক আবদুল সালাম হাওলাদার বলেন,ঘটনাটি আমি লোকমুখে শুনেছি। এলাকার প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা টাকার মাধ্যমে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এব্যপারে মেয়ের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাইনি। স্কুলে একজন






